সন্তোষপুরের এই উচ্ছেদ শুধু একটি গ্রামের বঞ্চনার গল্প নয়, এটি প্রশ্ন তোলে মানবাধিকার, সরকারি নীতি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে। কেন একটি গ্রামের মানুষকে তাদের জমি, ঘর, শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হলো? এপিডিসিএল-এর জন্য জমি বরাদ্দের নামে কি এই মানুষদের জীবন ধ্বংস করা ন্যায়সঙ্গত?
Latest News
-
-
-
বিধায়কদের বেতন বাড়লো চল্লিশ হাজার করে,
আর এদিকে লক্ষ বেকার মরছে ঘরে ঘরে!
নিয়োগ, ভাতা, এসবের ঠাঁই নিখোঁজ বিজ্ঞাপনে,
বেকারত্বের শিল্পমেলা দেশের কোণে-কোণে! -
কিনে রেখেছো/ মেধার মগজ/ পন্ড মেরুদন্ড।
-
মোর শৈশব ব্যস্ত তোমার জন্য প্রতিটি শ্রমে তোমার সুখ, সুখী গৃহকোনে লালিত তোমার খোকা, আমার বেলা তবে কেন দুঃখ? আমি…
-
-
যুগের সাথে চন্দ্রযানের প্রযুক্তি আবিষ্কার হলেও কেন আবিষ্কার হল না ধর্ষণের প্রতিষেধক। মুম্বাই এর অরুণা শানবাগ থেকে দিল্লির জ্যোতি, তারপর নিভে গেল কলকাতার তরুণী, এত পর্যন্ত সময়ে কিসের এত অপেক্ষা? ব্যবস্থার পক্ষপাত যদি নারীর শরীর সর্বস্বতাতেই হয় তবে পর্দাপ্রথা ও গৃহবন্দি জীবন তথাকথিত আধুনিক জীবনের চেয়ে কী বেশি উৎকৃষ্ট ছিল না?
-
হরবছরের মতই এবারও এই মিছিলগুলিতে এসে জুটেছিল,
চাষির ছেলে-নতুন মজুর, বা নতুন ইঞ্জিনিয়ার, বা ওইরকম কিছু একটা ।
সবাই বিকাশ পথের যাত্রী, ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়। -
বাজার ছাড়া ব্যবসা নাই, দখল নিতে যুদ্ধ তাই, যুদ্ধের বাজারে, দখল দারিতে অস্ত্রের কেনাবেচা রমরমিয়ে, এক পক্ষে শোষক সবাই বাকিরা…
-
ব্রাহ্মণ্য (বর্তমানে হিন্দুধর্ম বলে প্রচার করাহচ্ছে), ইসলাম, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন, সারনা প্রভৃতি ধর্মে শ্রমিকশ্রেণী আছে,আছে শোষকশ্রেণী। বাঙালি,বিহারি,ওড়িয়া,তামিল,তেলেগু,মারাঠি, গুজরাটি প্রভৃতি জাতিতে বেশিরভাগ আছে শ্রমিকশ্রেণী, আছে সংখ্যালঘিষ্ঠ শোষকশ্রেণী। বেশিরভাগ ওবিসি, দলিত, আদিবাসী জনগণ শ্রমিক ও দরিদ্র কৃষক।তাঁরা শোষিতশ্রেণী।একই ধর্ম ও জাতির শোষকশ্রেণী কি ঐ ধর্মের ও জাতির শ্রমিক ও কৃষককে শোষণের হাত থেকে ছাড় দেয়? দেয় না। তাই শ্রমজীবী জনগণের প্রথম পরিচয় তাঁরা শ্রমিকশ্রেণী,শোষিতশ্রেণী।এই পরিচয় ও শ্রমজীবীদের ঐক্যটা ভেঙে দিতে পারলে শোষণে বাধা থাকে না শোষকশ্রেণীর।
