তবে এই অবিরাম অস্ত্র প্রতিযোগিতার কারণে বিশ্ব ধ্বংসের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে।যুদ্ধ দেশগুলোকে পিছিয়ে দেয় এবং পুনরুদ্ধার অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। এটি শুধু অর্থনৈতিক ও মানবিক ক্ষতিই নয়, পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্রের ওপরও গুরুতর প্রভাব ফেলে।
Latest News
-
-
কবিতায় ফুটে উঠেছে মেয়েদের জীবনের নানা বন্ধনের বেড়া।সেই বন্ধনের বেড়া ভেঙ্গে মুক্তির আকাঙ্ক্ষাও। আর বাস্তবতা ও স্বপ্নের মাঝে লুকিয়ে থাকে তাদের অসীম সহ্যশক্তি ও ত্যাগ।
-
সম্পূর্ণ এসআইআর প্রক্রিয়া (স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন) স্পষ্ট নয়, অভিযোগিত ভুলে পরিপূর্ণ। আর বাংলায় এর প্রধান লক্ষ্য একটি সম্প্রদায়। ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬-এ তা প্রমাণিত হয়েছে। রিপোর্ট বলছে, চূড়ান্ত খসড়া তালিকায় ৬০ লক্ষ মানুষকে ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’ (ইউএ) বিভাগে ঘোষণা করা হয়েছে। এবং দুর্ভাগ্যবশত, তাদের অধিকাংশই মুসলমান।
-
মানবসভ্যতা চাঁদে পৌঁছেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উদ্ভাবন করেছে, মহাকাশে উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেছে—তবু কেন প্রতিটি শিশুকে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পেট ভরে খাওয়ানো এত কঠিন?
-
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)-র ধারণা উপরে উপরে আকর্ষণীয় মনে হতে পারে, কিন্তু এর অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক অর্থনীতি ও সামাজিক পরিণতি প্রায়ই অসম ও বিতর্কিত।
-
ব্যতিক্রম মানুষ সব পেশাতেই আছেন। এস আই আর-এর হয়রানির সময় অসহায়, নিপীড়িত মানুষের পাশে থাকার জন্য উনাদের ধন্যবাদ।
-
মহেশনদী গ্রাম পেরিয়ে/ শত শত প্ল্যাকার্ড হেঁটে যায় পাঞ্চেত ড্যাম বরাবর —/ প্রতিটি অক্ষর যেন/ উগরে দেয় ক্ষোভ -আক্রোশ,
-
ৰক্ষকেই ভক্ষক,
এই পৃথিৱীত
চিলাইতকৈ শকত
শোষণৰ সূতা।
বস্ত্ৰখন ছিঙে,
মানুহ ছিঙি যায়। -
উনিশ শতাব্দীর শেষ দিকে লেখকগণ বড্ড বেশি আত্মকেন্দ্রিক হয়ে গিয়েছিলেন আর হররোজ নিত্য-নতুন তত্ত্ব-তলাশে লেগেছিলেন। এই লেখক সমাজ কর্মমুখর জীবনের বদলে কর্মবিমুখতাকে প্রাধান্য দিলেন, সাহিত্য আর কবিতাকে জনজীবন থেকে বাদ দিয়ে, তার সম্পর্ক হীনতার ঘোষণা দিয়ে, সাহিত্য ও কবিতার একটি স্বাধীন সত্তার ঘোষণা দিলেন। এই মানুষেরা অতীতকে আঁকড়ে ধরলেন আর অতীতের গৌরবগাঁথার ঝোঁককে বাড়িয়ে তুললেন।
-
ভারতবর্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষজন এখনো অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারেনি। ভারতবর্ষের অধিকাংশ সম্পদের মালিকানা উচ্চবর্ণ ও উচ্চবিত্ত লোকেদের হাতে। বেসরকারিকরণ হলে তাদের কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু নিম্ন বিত্তের দলিত-সংখ্যালঘু-আদিবাসী মানুষের কাছে সম্পদের মালিকানা না থাকায় তারা পয়সা দিয়ে শিক্ষা কিনতে পারবে না। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেসরকারিকরণ থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই? যাদের টাকা রয়েছে, তারাই একমাত্র আধুনিক চিকিৎসার সুবিধা পাচ্ছে, বাকিরা বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন। ফলে যে শিক্ষা তাদের একদিন শতশত বছরের গোলামির রাস্তা থেকে বেরিয়ে আসার পথ দেখিয়েছিল, সেই শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণে তারা আবার সেই গোলামি অর্থাৎ বর্ণাশ্রমের যুগেই ফিরে যাবে।
