মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)-র ধারণা উপরে উপরে আকর্ষণীয় মনে হতে পারে, কিন্তু এর অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক অর্থনীতি ও সামাজিক পরিণতি প্রায়ই অসম ও বিতর্কিত।
Latest News
-
-
ব্যতিক্রম মানুষ সব পেশাতেই আছেন। এস আই আর-এর হয়রানির সময় অসহায়, নিপীড়িত মানুষের পাশে থাকার জন্য উনাদের ধন্যবাদ।
-
মহেশনদী গ্রাম পেরিয়ে/ শত শত প্ল্যাকার্ড হেঁটে যায় পাঞ্চেত ড্যাম বরাবর —/ প্রতিটি অক্ষর যেন/ উগরে দেয় ক্ষোভ -আক্রোশ,
-
ৰক্ষকেই ভক্ষক,
এই পৃথিৱীত
চিলাইতকৈ শকত
শোষণৰ সূতা।
বস্ত্ৰখন ছিঙে,
মানুহ ছিঙি যায়। -
উনিশ শতাব্দীর শেষ দিকে লেখকগণ বড্ড বেশি আত্মকেন্দ্রিক হয়ে গিয়েছিলেন আর হররোজ নিত্য-নতুন তত্ত্ব-তলাশে লেগেছিলেন। এই লেখক সমাজ কর্মমুখর জীবনের বদলে কর্মবিমুখতাকে প্রাধান্য দিলেন, সাহিত্য আর কবিতাকে জনজীবন থেকে বাদ দিয়ে, তার সম্পর্ক হীনতার ঘোষণা দিয়ে, সাহিত্য ও কবিতার একটি স্বাধীন সত্তার ঘোষণা দিলেন। এই মানুষেরা অতীতকে আঁকড়ে ধরলেন আর অতীতের গৌরবগাঁথার ঝোঁককে বাড়িয়ে তুললেন।
-
ভারতবর্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষজন এখনো অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারেনি। ভারতবর্ষের অধিকাংশ সম্পদের মালিকানা উচ্চবর্ণ ও উচ্চবিত্ত লোকেদের হাতে। বেসরকারিকরণ হলে তাদের কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু নিম্ন বিত্তের দলিত-সংখ্যালঘু-আদিবাসী মানুষের কাছে সম্পদের মালিকানা না থাকায় তারা পয়সা দিয়ে শিক্ষা কিনতে পারবে না। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেসরকারিকরণ থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই? যাদের টাকা রয়েছে, তারাই একমাত্র আধুনিক চিকিৎসার সুবিধা পাচ্ছে, বাকিরা বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন। ফলে যে শিক্ষা তাদের একদিন শতশত বছরের গোলামির রাস্তা থেকে বেরিয়ে আসার পথ দেখিয়েছিল, সেই শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণে তারা আবার সেই গোলামি অর্থাৎ বর্ণাশ্রমের যুগেই ফিরে যাবে।
-
আজকের যুগে, যখন ক্ষুদ্র ভিডিও, নৈরাশ্য, সর্বব্যাপী ভোগবাদ এবং অনুভূতির বাজারজাতকরণের মধ্যে মানবতা হারিয়ে যাচ্ছে, তখন ভাসানীকে স্মরণ করা অত্যন্ত জরুরি—আমাদেরকে আদর্শ, সত্য, এবং শ্রমজীবী মানুষের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জীবনের পথে পরিচালিত করার জন্য
-
বিন্তি বলল, আমার ঝিনুক পুড়ছে নাই, আর তুই ইঁদুর দিয়ে দিলিস৷ আগুনটা ত নিভেই গেলেক৷
লখাই আরো জোরে ফুঁ দিতে দিতে বলল, নিভভেক নাই৷ তুই আর দুটি কাঠঝুড়ি নিয়ে আয়৷ হামি তর ঝিনুক পুড়াই দিছি৷ আর ইঁদুরটা ত তকেই খাওয়াবো বলে আনেছি৷ আমি খায়েছি দুটা ঘরে পুড়ায়৷
-
স্বতন্ত্র ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, অর্থনীতি ও ভূ-সীমানা ছাড়া কোন জাতি তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারে না। কুড়মিদের আত্মপরিচয় ফিরে পাওয়া বিগত ঝাড়খণ্ড আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল। আর এই দাবি ঝাড়খন্ডীদের জাতি হিসেবে বিকশিত হওয়ার জন্যও সমান ভাবে প্রাসঙ্গিক।
-
আইজাজের জীবনে বড় আক্ষেপ ছিল মার্কসকে কেবল তাঁর অর্থনৈতিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে তাঁকে খাটো করে দেখা হয়। অথচ, মার্কসের রাজনৈতিক লেখাগুলি—দ্য জার্মান ইডিওলজি, ১৮৪৫; কমিউনিস্ট ইশতেহার, ১৮৪৮; ল্যুই বোনাপার্টের অষ্টাদশ ব্রুমেয়ার, ১৮৫২; ও ফ্রান্সে গৃহযুদ্ধ, ১৮৭১ হল তাঁর বিপ্লবী দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার মূল চাবিকাঠি(পৃষ্ঠা ৮-৯)।
