ভারতবর্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষজন এখনো অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে উঠতে পারেনি। ভারতবর্ষের অধিকাংশ সম্পদের মালিকানা উচ্চবর্ণ ও উচ্চবিত্ত লোকেদের হাতে। বেসরকারিকরণ হলে তাদের কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু নিম্ন বিত্তের দলিত-সংখ্যালঘু-আদিবাসী মানুষের কাছে সম্পদের মালিকানা না থাকায় তারা পয়সা দিয়ে শিক্ষা কিনতে পারবে না। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বেসরকারিকরণ থেকে আমরা কী শিক্ষা পাই? যাদের টাকা রয়েছে, তারাই একমাত্র আধুনিক চিকিৎসার সুবিধা পাচ্ছে, বাকিরা বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছেন। ফলে যে শিক্ষা তাদের একদিন শতশত বছরের গোলামির রাস্তা থেকে বেরিয়ে আসার পথ দেখিয়েছিল, সেই শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণে তারা আবার সেই গোলামি অর্থাৎ বর্ণাশ্রমের যুগেই ফিরে যাবে।
Latest News
-
-
আজকের যুগে, যখন ক্ষুদ্র ভিডিও, নৈরাশ্য, সর্বব্যাপী ভোগবাদ এবং অনুভূতির বাজারজাতকরণের মধ্যে মানবতা হারিয়ে যাচ্ছে, তখন ভাসানীকে স্মরণ করা অত্যন্ত জরুরি—আমাদেরকে আদর্শ, সত্য, এবং শ্রমজীবী মানুষের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ জীবনের পথে পরিচালিত করার জন্য
-
বিন্তি বলল, আমার ঝিনুক পুড়ছে নাই, আর তুই ইঁদুর দিয়ে দিলিস৷ আগুনটা ত নিভেই গেলেক৷
লখাই আরো জোরে ফুঁ দিতে দিতে বলল, নিভভেক নাই৷ তুই আর দুটি কাঠঝুড়ি নিয়ে আয়৷ হামি তর ঝিনুক পুড়াই দিছি৷ আর ইঁদুরটা ত তকেই খাওয়াবো বলে আনেছি৷ আমি খায়েছি দুটা ঘরে পুড়ায়৷
-
স্বতন্ত্র ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, অর্থনীতি ও ভূ-সীমানা ছাড়া কোন জাতি তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারে না। কুড়মিদের আত্মপরিচয় ফিরে পাওয়া বিগত ঝাড়খণ্ড আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল। আর এই দাবি ঝাড়খন্ডীদের জাতি হিসেবে বিকশিত হওয়ার জন্যও সমান ভাবে প্রাসঙ্গিক।
-
আইজাজের জীবনে বড় আক্ষেপ ছিল মার্কসকে কেবল তাঁর অর্থনৈতিক কাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখে তাঁকে খাটো করে দেখা হয়। অথচ, মার্কসের রাজনৈতিক লেখাগুলি—দ্য জার্মান ইডিওলজি, ১৮৪৫; কমিউনিস্ট ইশতেহার, ১৮৪৮; ল্যুই বোনাপার্টের অষ্টাদশ ব্রুমেয়ার, ১৮৫২; ও ফ্রান্সে গৃহযুদ্ধ, ১৮৭১ হল তাঁর বিপ্লবী দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার মূল চাবিকাঠি(পৃষ্ঠা ৮-৯)।
-
ফের মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল জেলা শহর বহরমপুরের কারবালা ওয়াকফ সম্পত্তি জবর দখলের। সেই সাথে অভিযোগ উঠল রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডের সিইও -র বিরুদ্ধে এই জবর দখলের ষড়যন্ত্রে সামিল হওয়ার। বহরমপুর সংলগ্ন শিবডাঙ্গা বদরপুর মৌজায় অবস্থিত কারবালা কবরস্থান ওয়াকফ সম্পত্তি । ইসি নং ১২৩৭৭। যে জমি দখলের অভিযোগ তার সিএস, আরএস রেকর্ডে খতিয়ান নং ৩৭৭। দাগ নং ২৩৩। মোট জমির পরিমাণ ১০.৬০ একর । ২০০২ সালে ১০.৬০ একর জমির মধ্যে ৫.৪০ একর জমির খতিয়ান নং করা হয় ১। কিন্তু দাগ নং অপরিবর্তিত থাকে ২৩৩। সেই জমির উপর ২০০২/৩ সালের দিকে ১২৮ খানা দোকান ঘর নির্মাণ করে তৎকালীন জেলা পরিষদ।
-
কালো মানুষেরা আসে উৎসবের দিনগুলোকে আরও রঙিন করতে। আসে ওরা দলে দলে দূর হতে, নাচে শহরের এখানে সেখানে। শহর উপভোগ করে। বিনিময়ে চাল ডাল তেল নুনের পয়সা আসে হাতে।
-
সন্তোষপুরের এই উচ্ছেদ শুধু একটি গ্রামের বঞ্চনার গল্প নয়, এটি প্রশ্ন তোলে মানবাধিকার, সরকারি নীতি এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে। কেন একটি গ্রামের মানুষকে তাদের জমি, ঘর, শিক্ষা এবং জীবনযাত্রার মৌলিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হলো? এপিডিসিএল-এর জন্য জমি বরাদ্দের নামে কি এই মানুষদের জীবন ধ্বংস করা ন্যায়সঙ্গত?
-
-
বিধায়কদের বেতন বাড়লো চল্লিশ হাজার করে,
আর এদিকে লক্ষ বেকার মরছে ঘরে ঘরে!
নিয়োগ, ভাতা, এসবের ঠাঁই নিখোঁজ বিজ্ঞাপনে,
বেকারত্বের শিল্পমেলা দেশের কোণে-কোণে!
