মানবসভ্যতা চাঁদে পৌঁছেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা উদ্ভাবন করেছে, মহাকাশে উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করেছে—তবু কেন প্রতিটি শিশুকে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পেট ভরে খাওয়ানো এত কঠিন?
প্রবন্ধ
-
-
মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA)-র ধারণা উপরে উপরে আকর্ষণীয় মনে হতে পারে, কিন্তু এর অন্তর্নিহিত রাজনৈতিক অর্থনীতি ও সামাজিক পরিণতি প্রায়ই অসম ও বিতর্কিত।
-
উনিশ শতাব্দীর শেষ দিকে লেখকগণ বড্ড বেশি আত্মকেন্দ্রিক হয়ে গিয়েছিলেন আর হররোজ নিত্য-নতুন তত্ত্ব-তলাশে লেগেছিলেন। এই লেখক সমাজ কর্মমুখর জীবনের বদলে কর্মবিমুখতাকে প্রাধান্য দিলেন, সাহিত্য আর কবিতাকে জনজীবন থেকে বাদ দিয়ে, তার সম্পর্ক হীনতার ঘোষণা দিয়ে, সাহিত্য ও কবিতার একটি স্বাধীন সত্তার ঘোষণা দিলেন। এই মানুষেরা অতীতকে আঁকড়ে ধরলেন আর অতীতের গৌরবগাঁথার ঝোঁককে বাড়িয়ে তুললেন।
-
স্বতন্ত্র ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, অর্থনীতি ও ভূ-সীমানা ছাড়া কোন জাতি তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারে না। কুড়মিদের আত্মপরিচয় ফিরে পাওয়া বিগত ঝাড়খণ্ড আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল। আর এই দাবি ঝাড়খন্ডীদের জাতি হিসেবে বিকশিত হওয়ার জন্যও সমান ভাবে প্রাসঙ্গিক।
-
ফের মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠল জেলা শহর বহরমপুরের কারবালা ওয়াকফ সম্পত্তি জবর দখলের। সেই সাথে অভিযোগ উঠল রাজ্য ওয়াকফ বোর্ডের সিইও -র বিরুদ্ধে এই জবর দখলের ষড়যন্ত্রে সামিল হওয়ার। বহরমপুর সংলগ্ন শিবডাঙ্গা বদরপুর মৌজায় অবস্থিত কারবালা কবরস্থান ওয়াকফ সম্পত্তি । ইসি নং ১২৩৭৭। যে জমি দখলের অভিযোগ তার সিএস, আরএস রেকর্ডে খতিয়ান নং ৩৭৭। দাগ নং ২৩৩। মোট জমির পরিমাণ ১০.৬০ একর । ২০০২ সালে ১০.৬০ একর জমির মধ্যে ৫.৪০ একর জমির খতিয়ান নং করা হয় ১। কিন্তু দাগ নং অপরিবর্তিত থাকে ২৩৩। সেই জমির উপর ২০০২/৩ সালের দিকে ১২৮ খানা দোকান ঘর নির্মাণ করে তৎকালীন জেলা পরিষদ।
-
বালাপোশ তৈরীর কৌশল সযত্নে সঞ্চিত রইল আতর হোসেন খানের হৃদয়ে। বংশ পরম্পরায় তা প্রবাহিত হতে লাগল।
আতর হোসেন খান, আমির হোসেন খান, সাখাওয়াত হোসেন খান, স্ত্রী – চাঁদ বিবি(বেওয়া), ছেলে -সারাফাৎ হোসেন খান, মেয়ে-ববি বেওয়া, রুমি খাতুন, সাবিনা বেগম। -
বিতর্কিত ও অবিসংবাদিত, নন্দিত ও নিন্দিত এই মহান রাজনীতিবিদের জীবন ও রাজনৈতিক চিন্তাধারা আজও শিক্ষিত সমাজের একটি বড় অংশের মধ্যে অস্পষ্ট থেকে গেছে। প্রয়োজনমতো কেউ কখনো তাঁর প্রশংসা করে, কেউ সমালোচনা—এমনকি নিন্দাও।
-
এবারের বন্যায় ফেনীতে আট লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফেনী শহরসহ পরশুরাম, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়াতে বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। তবে, সদর উপজেলা, সোনাগাজী ও দাগনভূঞাতে বন্যা পরিস্থিতি এখনো অবনতির দিকেই রয়েছে। বিদ্যুৎ ও মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় মানুষের দুর্ভোগও কমছে না।
-
-
কেন তাদেরকে গ্রাম ও নিজের রাজ্য ত্যাগ করতে হয়? আর সেখানে গিয়ে তাদের কপালে কী জোটে? উত্তর পাবেন স্ট্যানের নির্ভীক আত্মত্যাগে।
