ব্রিটিশ-শাসিত বাংলার সমাজব্যবস্থা ও জনজীবনের পুনর্গঠন, বাঙালি জাতির রাজনৈতিক জাতিসত্তার নির্মাণ, বাঙালির গণজাগরণ, রাজনৈতিক সাহিত্যসৃষ্টি এবং সমাজসংস্কার আন্দোলনের দিশারী ছিলেন শেরে বাংলা ফজলুল হক৷ শ্রেণিসংগ্রাম ও সৃষ্টিশীলতার সূত্র ধরে অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী ফজলুল হক রাজনৈতিক সাহিত্য নির্মাণের অন্যতম পৃষ্ঠপোষকও ছিলেন৷ আবুল কাশেম ফজলুল হক (২৬ অক্টোবর ১৮৭৩-২৭ এপ্রিল ১৯৬২) একাধারে আইনজীবী, লেখক,সংসদ সদস্য ও সাহিত্যিক ছিলেন । বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাঙালি কূটনীতিক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নিকট শের-ই-বংগাল এবং ‘হক সাহেব’ নামে বিশেষ পরিচিত।
Latest News
-
-
বাঙালি মুসলমান বইটিতে নিজেকে পরিমাপ করতে পারবে। তার বেডরুম থেকে অফিস ঘর, তার মাঠ থেকে হাট পর্যন্ত, তার ধর্ম থেকে অন্ধ-কুসংস্কারাচ্ছন্ন বিশ্বাস অর্থাৎ সংস্কার পর্যন্ত তথা সংস্কৃতি পর্যন্ত অনুধাবন করতে পারবে। প্রচলিত বহুভ্রান্ত ধারণারও অবসান ঘটাতে পারবে।
-
তদন্ত শুরু করলে জানা যায় এই পদ্ধতিতে খুন অতীতেও হয়েছে এবং যারা খুন হয়েছেন তারা কোনো না কোনো ভাবে নম্রতার স্লিমিং সেন্টারের সাথে যুক্ত।এই থ্রিলারটিতে সকল চরিত্রেরই জীবনের ঘটনাগুলিকে পৃথকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তবে কিছু কিছু জায়গায় মনে হয় যে তারা একে অপরের সাথে জড়িত।
-
কাফনে আবদ্ধ বিশ্বপ্রেম
মানবতা বন্ধক হানাদারদের হাতে
সাথে রক্তাক্ত শিশুর হাহাকারে হাসে
নতুন সকালের সূর্য সগৌরবে
এই সাম্রাজ্যেবাদী আকাশে। -
-
পুজোআর্চা ব্যাপারটা মানুষের অন্যতম মুখ্য সংস্কার মাত্র। বেদের কোথাও নেই পুজো প্রসঙ্গটি। বেদে ‘সূর্য’ ছাড়া অন্য কোনও দেবদেবীর নাম খুঁজে পাওয়া যাবে না।এই যে দুর্গাপুজো ইত্যাদি, যা নিয়ে যৎসামান্য আলোচনা হল, এ-সব সমগ্র বেদের কোনও পৃষ্ঠাতেই নেই। সবটাই পুরাণ মতে। পুরাণই সাধারণ মানুষ মেনে চলছেন, পুজো চলছে বছরভর যথারীতি।
-
-
কে হানাদার, কে দখলদার ?
দেশে দেশে গণহত্যায় কারা সামিল ?
কে না জানে সাদা সাম্রাজ্যবাদ
আর পুঁজিবাদের অন্ধকার ইতিহাস ? -
এরপর যে বিষয়টা আলোচনার দাবীদার তা হলো, গল্পের কেন্দ্রীয় দুই চরিত্রের মাঝে রসায়ন তৈরীর বিষয়টা। গল্পের প্রধাণ দুই চরিত্রের একজন ইউরোপীয় এবং একজন এশিয়ান।এই দুয়ের ভেতর চমক সৃষ্টি করা হয়েছে অত্যন্ত আদরে আর যত্নে। সীমানা পার করে নিয়ে ভিন্ন দুই জাতীয়তার মাঝে যে এক নিটোল অনুভূতির গল্প লেখক তার কলমে ফুটিয়ে তুলেছেন সেটি বাস্তবিকই হৃদয় ছুঁয়েছে প্রবল ভাবে৷ বিশেষ করে অ্যারেনের লাজুক ব্যক্তিত্ব এবং ঊষার চঞ্চলতা এই দুই ভিন্ন স্বভাবের মধ্যে লেখক এক অনন্য আবেগ স্পর্শ তার কলমে ছুঁয়ে দিয়েছেন একদম রঙতুলির মতোই।
-
তিনি প্রকৃত ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক। জাতিভেদ, অস্পৃশ্যতা, কুসংস্কার দূরিকরণে সারা জীবন তিনি অন্তহীন প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন। জাতিভেদ প্রথা হলো এমন একটি সমস্যা যার অভিশাপ থেকে আজও ভারতবর্ষ মুক্ত নয়। জাতিভেদ, অস্পৃশ্যতা একটি জাতির প্রগতির পথে বড় বাধা, বড় অন্তরায়। আমরা এই একবিংশ শতাব্দিতেও পারিনি এসবের উর্ধ্বে উঠতে, পারিনি কুসংস্কার ও হিংসা মুক্ত উচ্চ মননশীলনের অধিকারী হতে।
